তেলেঙ্গানায় টিআরএস বিধায়কদের কেনাবেচায় এইবার নাম উঠে এলো বিজেপির এক বিধায়কের। টি আরএস বিধায়কদের কেনা বেচায় অভিযুক্ত রয়েছেন বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ। আর যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সন্তোষ ছাড়াও আরো তিনজন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল SIT।
প্রসঙ্গত, তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো বিশেষ তদন্তকারী দল সন্তোষকে হাজিরার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু প্রথমবার হাজির দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানো হলেও সন্তোষের তরফ থেকে কোনরকম উত্তর পাওয়া যায়নি। তাই দ্বিতীয়বার নোটিশ পাঠিয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট। আগামী ২৬ কিংবা ২৮ শে নভেম্বর তাকে হাজিরার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এখনো পর্যন্ত সিট আদালতের কাছে একটি মেমো জমা দিয়েছে। আর সেখানেই নাম রয়েছে বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ সহ চারজনের। তারা প্রত্যেকেই সেখানকার টিআরএস বিধায়কদের কেনাবেচার চেষ্টায় অভিযুক্ত। গত ২৬ শে অক্টোবর, টি আর এস বিধায়ক রোহিত রেডডিও বিধায়ক কেনাবেচার জন্য বি এল সন্তোষ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, তাকে ১০০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল । বিনিময়ে তাকে টিআরএস ছেড়ে বিজেপিতে এসে যোগদান করতে হবে। আর এই নিয়ে তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট যথেষ্ট সচেতন। তাই প্রথমবার অভিযুক্ত বিজেপি নেতা SIT এর হাজিরার নির্দেশ এড়িয়ে যাওয়ায় সেখানকার হাইকোর্ট পুনরায় SIT কে উপরোক্ত বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে হাজিরার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত বিজেপি নেতা হাজির হন কি সেটাই এখন দেখার।
দল ভাঙ্গিয়ে সরকার বদলে দেওয়া বিজেপির কাছে নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন রাজ্যের ইতিহাস ঘাটলে বোঝা যায় বারবার বিজেপি নেতারা এমএলএ দের নিজেদের দলে টেনে সরকারের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে মধ্যপ্রদেশ। মহারাষ্ট্র এও প্রতি বিধায়কদের ৫০ কোটি টাকা করে দিয়ে সরকার ভাঙ্গিয়েছে বলে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু ভারতের মতো বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে এইরকম ধরনের ঘটনা আদৌ কি সমর্থনযোগ্য?
