সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : জল জীবন মিশনের বাংলার কর্মসূচি নিয়ে দূর্নীতির অভিযোগ করেছিলো বিরোধী দলনেতা। আর এবার সেই অভিযোগকেই সরাসরি খারিজ করে দিলো নবান্ন।
শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী এই মিশনে ফেরুল কেনা নিয়ে ৫০০ কোটির টাকার দূর্নীতির অভিযোগ করেছিলো শুভেন্দু অধিকারী। হাওড়ার চারটি সংস্থার নাম করে এই অভিযোগ করেন তিনি। তিনি এও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রককে সোমবার চিঠি দিয়ে তিনি তাদের দূর্নীতির ব্যাপারে অবগত করবেন। সাতদিনের মধ্যে তদন্ত না হলে আদালতে জনস্বার্থ মামলা করবার হুশিয়ারিও সেদিন দিয়েছিলো শুভেন্দু।
এবার তার পাল্টা উত্তর দিতে গিয়ে রাজ্য সরকার জানালো যে তথ্য প্রমান ছাড়া অযৌক্তিক ভাবে করা হয়েছে এই অভিযোগের যার কোনোরকম বাস্তব ভিত্তি নেই।
নবান্ন সুত্রে আরও বলা হয়েছে এই অভিযোগের সপক্ষে কোনো যুক্তি নেই বিরোধী দলনেতার কাছে। কার্যত চ্যালেঞ্জ করে তথ্য প্রমাণ দেখানোর কথা বলেছে নবান্ন।
সরকারের তরফে শুভেন্দু বাবুকে মনে করানো হয়েছে যে গত ২ অক্টোবর দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে জল জীবন প্রকল্পের বাস্তবায়নের উৎকর্ষতার জন্য ভারত সেরার পুরস্কার এ রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের হাতে তুলে দেন কেন্দ্রীয় জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখওয়াত।
নবান্নের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে একের পর এক বিভ্রান্তিকর কথা বলে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিরোধী দলনেতা।
এদিন দফতরের তরফে সাংবাদিকদের একটি ভিডিও দেখানো হয় যেখানে দেখা যাচ্ছে ছট পূজার দিন শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলো ৯০০ কোটি টাকার দূর্নীতির আর মাত্র দশ দিনে ৪০০ কোটি কমে সেটা ৫০০ কোটি টাকাতে এসে দাঁড়িয়েছে। এই ভিডিও দেখিয়েই শুভেন্দু বাবুর মানুষকে বিভ্রান্ত করবার চেষ্টাকে মানুষের সামনে নিয়ে এসেছে নবান্ন।
এদিন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন “একের পর এক নির্বাচনে গো-হারা বিরোধী দলনেতা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক মিথ্যাচার করে প্রশাসনকে বিপাকে ফেলে সংবাদমাধ্যমে ভেসে থাকতে চাইছেন”
