সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : দেশে অর্থনৈতিক সংকট চরম পর্যায়ে উপনিত হয়েছে। বেকারত্বের জ্বালা সহ্য করছে ভারতের জনগণ। ভোজ্য তেলের দাম আকাশচুম্বী। টাকার পতন অব্যাহত কিন্তু কবে পরিস্থিতি শুধরাবে তাঁর কোনো উত্তর নেই মোদী সরকারের কাছে।
দেশ এই অর্থনৈতিক সংকট কি করে কাটিয়ে উঠবে সেই উত্তর যখন ধোঁয়াশায় তখন অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার কোন ভিত্তির উপর স্বপ্ন দেখাচ্ছে পাঁচ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির সেটাই এখন সবচেয়ে বড়ো প্রশ্নের বিষয়।
সোমবার সংসদে অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সমস্ত ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের তুলোধোনা করেন কংগ্রেস এবং তৃনমূল কংগ্রেসের সাংসদরা। এমনকি এদিন কড়া প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় বিজেপির সাংসদদেরও।
কংগ্রেস সাংসদ মনিশ তিওয়ারি, তৃনমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বাছাই করা প্রশ্নবাণের সামনে কার্যত অসহায় মনে হচ্ছিল দেশের তাবড় তাবড় অর্থবিষয়ক আধিকারিকদের। কড়া প্রশ্নের সামনে একপ্রকার নিরুত্তরই ছিলেন তাঁরা।
এদিন এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নীতি আয়োগের সিইও পরমেশ্বরন আইয়ার , মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা, অর্থ মন্ত্রকের সচিব, অর্থ বিষয়ক দফতরের সচিব।
এদিনের বৈঠকের বিষয় ছিলো ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির রোডম্যাপ তৈরি করা। সেই বৈঠকে কেন্দ্রীয় অধিকারীকরা ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কতোটা উন্নতি করেছে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করছিলো কিন্তু দেশের বেকারত্ব কমবে বলতেই রিতিমত চেপে ধরে বিরোধী সাংসদরা। সৌগত বাবুরা কিভাবে কমবে জানতে চাইতে সদুত্তর দিতে পারেননি আধিকারিকরা।
আধিকারিকরা জানিয়েছিল যে শহরাঞ্চলের পরিস্থিতি তুলনায় ভালো। বেকারত্ব অনেক কম কিন্তু এই শুনেই পাল্টা প্রশ্ন ওঠে লোকডাউনে কাজ হারানো কজ চাকরি ফিরে পেয়েছে। এই প্রশ্নেও উত্তর ছিলো না তাদের কাছে।
এছাড়াও বিরোধীরা এদিনের বৈঠকে ছত্রে ছত্রে প্রশ্ন উত্থাপন করে দেশের অর্থনৈতিক সংকট এবং প্রয়োজনীয় জিনিসের লাগামছাড়া দূর্নীতি নিয়ে। প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত হয়ে কার্যত বিপদে পড়ে যায় আধিকারিকরা।
