মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়া অভিষেকের মধ্যে, অভিষেককে কাছে পেয়ে আপ্লুত গ্রামবাসীরা


সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : পঞ্চায়েত ভোট ঢের দেরি। বছর শেষের মুখে বঙ্গীয় রাজ্য রাজনীতিতে ভোটের দামামা বেজে গেছে। আজ শুভেন্দুর ঘর কাঁথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা ছিল। তবে জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার আগে পিসি অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্টাইলেই জনসংযোগ করলেন যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কাকে যাওয়ার পরে মারিশদা গ্রামে ঢুকে ছিলেন। কোন ভাই থামিয়ে দিয়ে নিজেই নেমে যান গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলতে। বডিগার্ডদের একটু দূরে থাকার নির্দেশ দেন অভিষেক, যাতে গ্রামবাসীরা তাদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারে। অভিষেক গ্রামের এই ঘর থেকে ওই ঘর ঘুরে কথা বলেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে। 

এমনকি গ্রামবাসীদের ভাঙ্গা ঘরেও ঢুকে দেখলেন কতটা খারাপ অবস্থা? মন দিয়ে শুনলেন তাঁদের অভাব-অভিযোগ। অভিষেককে হাতের কাছে পেয়ে, গ্রামের মানুষও পাকা বাড়ি নিয়ে ক্ষোভ, হতাশা উপড়ে দিলেন অভিষেককে। জানালেন তাদের পাকা বাড়ি নেই। বিপর্যয়ের পর মাত্র ৫০০০ টাকা পেয়েছেন তারা। কিন্তু ওই টাকায় কি হয়?

তবে গ্রামবাসীরা অভিষেক এটাও জানান যে, তাঁরা রেশন ভাতা সবই পাচ্ছেন। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার অসুবিধা নেই। কিন্তু মূল সমস্যা বাড়ির। আম্ফানে ঘর ভেঙেছিল কিন্তু কোন সাহায্য পাননি। অভিষেকের কাছে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা। তাদের অভিযোগ, কোন বিষয়ে সই চাইতে গেলে পঞ্চায়েত প্রধান ঘোরায়। হেনস্তা হতে হয় তাঁদের। 

সে প্রসঙ্গে গ্রামবাসীদের মধ্যে একজন আবার বলেন, “এরকম চললে কাকে ভোট দেব আমরা।” উত্তরে অভিষেকের সাফ জবাব, “এর সঙ্গে ভোটের কোনও যোগ নেই।” তারপর অভিষেক গ্রামবাসীদের থেকে তাদের ফোন নাম্বার নেয় প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য। তাছাড়া খুব তাড়াতাড়ি এ সমস্যার সমাধান হবে এমন আশ্বাস আশ্বাসও দিয়ে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম