সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ রুখে দিয়েছিল অখন্ড বাংলা। সেই দিন বাংলা সম্প্রীতির জয়গান গেয়েছিল। একইভাবে এবারে বিজেপির চক্রান্ত রুখে দেবে বাংলা। ওদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কে আটকাতে হবে। বিজেপির বিরুদ্ধে ঠিক এভাবেই গর্জে উঠলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
বেশ কয়েকদিন আগে সর্বভারতীয় একটি দৈনিকে দাবি করা হয় যে, বাংলা ও বিহারের কিছু অংশ নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তাছাড়া বেশ কয়েকদিন ধরে বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতা উত্তরবঙ্গ ভাগের দাবি করছে। সেখানে এমন একটি প্রতিবেদন সর্বত্র সারা ফেলে দিয়েছে।
তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখ রায় বলেন, “গত বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে পরাজিত হয় বিজেপি। এরপর থেকে বাংলা দখল করার স্বার্থে মূলত দুটি নীতি নিয়ে চলেছে কেন্দ্র। একদিকে, বাংলাকে বিভক্ত করার মাধ্যমে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করার প্রস্তুতি নিতে চাইছে কেন্দ্র। আবার অন্যদিকে, ১০০ দিনের কাজের পাশাপাশি অন্যান্য একাধিক প্রকল্প বাবদ টাকা আটকে দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাকে অর্থনৈতিকভাবে অবরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তাছাড়া তিনি আরও বলেন, “ ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আটকে দিয়েছিল জনগণ। ঠিক সেরকমভাবে এবারও বিজেপির চক্রান্ত রুখে দেওয়া হবে। বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এর মত ২০টি নতুন রাজ্য তৈরি করার দাবি জমা পরলেও বিজেপি শুধু বাংলা ও বিহার ভাগ করতে চায়। বিজেপির এই পদক্ষেপ ভারতকে দুটুকরো করার চেষ্টা। তবে জনগণ তাদের এই ষড়যন্ত্র রুখে দেবে।
তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেছেন, “বিজেপি কোনভাবেই হার স্বীকার করতে পারছে না। সেই কারণেই বঙ্গভঙ্গ চক্রান্তের মাধ্যমে বাংলাকে দখল করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মোদি যোগী অমিত শাহ সহ বিজেপির একাধিক নেতা মন্ত্রীরা বাংলায় প্রচার করতে এসেছিল কিন্তু বাংলার মানুষ তাদের মুখে চুনকালি মাখিয়ে বাংলা ছাড়া করেছে। তাই বিজেপি এখন বাংলা ভাগের মধ্য দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু বাংলার মানুষ বাংলা ভাগ বরদাস্ত করবে না।
