সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : ডেউচা পাঁচামি প্রকল্পে আরো একটি দফায় সরকারি চাকরি দেওয়া হল জমিদাতাদের। জমি দাতাদের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন পুর ও নগরোয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ৫৪ জন নাবালককে দশ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এশিয়ার বৃহত্তম কয়লা খনি হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বীরভূমের দেউচা পাঁচামি এলাকাকে। দেউচা পাঁচামির জমিদাতাদের জন্য আকর্ষণীয় প্যাকেজের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেই মতো ধাপে ধাপে জমিদাতাদের পুনর্বাসন দেওয়া হচ্ছে। জমিদাতাদের ২৩৮ জন পেলেন গ্রুপ ডি পদের সরকারি চাকরি।
শুধু তাই নয় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, যেসব জমি দাতাদের বয়স ১৮ বছর হয়নি অর্থাৎ নাবালক তাদেরকে এক বছরের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে। সেই কথা অনুযায়ী আজ ৫৪ জন নাবালক জমিদাতাদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।
দেউচা পাঁচামি প্রকল্পে আরো একটি দফায় সরকারি চাকরি দেওয়া হল জমিদাতাদের। জমি দাতাদের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন পুর ও নগরোয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ৫৪ জন নাবালককে দশ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এশিয়ার বৃহত্তম কয়লা খনি হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বীরভূমের দেউচা পাঁচামি এলাকাকে। দেউচা পাঁচামির জমিদাতাদের জন্য আকর্ষণীয় প্যাকেজের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেই মতো ধাপে ধাপে জমিদাতাদের পুনর্বাসন দেওয়া হচ্ছে। জমিদাতাদের ২৩৮ জন পেলেন গ্রুপ ডি পদের সরকারি চাকরি।
শুধু তাই নয় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, যেসব জমি দাতাদের বয়স ১৮ বছর হয়নি অর্থাৎ নাবালক তাদেরকে এক বছরের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে। সেই কথা অনুযায়ী আজ ৫৪ জন নাবালক জমিদাতাদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।
ইতিমধ্যেই বীরভূমের দেউচা পাঁচামি এলাকায় কয়লা খনি হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এলাকাবাসীদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার আকর্ষণীয় প্যাকেজের ঘোষণা করেছেন। যার জন্য কোনরকম বাধা আসেনি কাজে। এই খনি তৈরি হলে অনেকেই শ্রমিকের কাজ পাবেন এবং অনুসারী প্রচুর শিল্পও গড়ে উঠবে। এছাড়াও শুধুমাত্র জমি দেওয়ার জন্য যে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে তাতে খুশি দেউচাপাচামির জমিদাতারা।
ডেউচা পাঁচামি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুর ও নগরায়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “সিঙ্গুরের সাথে দেউচাপাচামির পার্থক্য এখানেই। জোর করে কারোর কাছ থেকে জমি কেড়ে নেওয়া হয়নি বরঞ্চ আকর্ষণীয় ও সুবিধাজনক প্যাকেজ দিয়ে জমি দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের থেকেই জমি নিয়ে শিল্প তৈরি করা হচ্ছে।” তার পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, “সিঙ্গুরে জমি দিতে অনিচ্ছুক কৃষকদের কাছ থেকে জমি যেভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তারই প্রতিবাদ করেছিলেন।”

