সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: হিমাচলে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই বিজেপির মধ্যে অন্তর্কলহ।
এইবার হিমাচল প্রদেশে নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতেই বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এলো। প্রার্থী তালিকায় নাম নেই ১১ জন বর্তমান বিধায়কের। এমনকি বর্তমান মন্ত্রী সুরেশ ভরদ্বাজ এবং রাকেশ পাঠানিয়ার নির্বাচনী কেন্দ্র বদলানো হয়। এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে হিমাচল প্রদেশের বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের একাংশ। তাদের অভিযোগ দলবদলুদের টিকিট দিচ্ছে দল। যারা যোগ্য প্রার্থী তাদেরকে টিকিট দিচ্ছে না বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
প্রসঙ্গত বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে বিজেপির প্রার্থী তালিকা কে কেন্দ্র করে একের পর এক গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব সামনে এসেছিল। আর এইবার সেই একই ঘটনা হিমাচল প্রদেশে। হিমাচল প্রদেশের ৬৮ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৬২টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। যে প্রার্থী তালিকায় স্থান করে নিতে পারিনি বর্তমান বেশ কয়েকজন বিধায়ক। বেশ কয়েকজন বিধায়কের নির্বাচনী এলাকা ও পরিবর্তন করা হয়েছে। যা নিয়ে সুর চড়িয়েছে একের পর এক বিদ্রোহী বিজেপি নেতারা। এমনকি বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী বিজেপি নেতা নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার ফলে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বিজেপির জয় নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
টাকার বিনিময়ে টিকিট বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ বিদ্রোহী বিজেপি নেতাদের। বিজেপির রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কৃপাল পারামার সরাসরি অভিযোগ করেন, যাদের টাকা রয়েছে তাদেরকেই দল বেছে বেছে টিকিট দিচ্ছে। প্রসঙ্গত, বাংলা বিজেপির ক্ষেত্রেও বিজেপি নেতা তথাগত রায় কামিনী-কাঞ্চন তত্ত্বের কথা উল্লেখ করেছিলেন। যা নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তির মধ্যে পরেছিল বাংলার বিজেপি নেতৃত্ব। আর এইবার হিমাচল প্রদেশে সেই টাকার বিনিময় টিকিট বিক্রি হওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই আবার বিপাকে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বিদ্রোহী নেতারা এক সুরে বলছেন-যারা যোগ্য তাদেরকে দল কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। বরং নির্বাচনের পূর্বে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য যারা দলবদল করে বিজেপিতে এসেছে তাদেরকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে বর্তমান বিধায়কদের অসন্তোষ প্রকাশের কারণে বিজেপিকে যথেষ্ট প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
