তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। কিন্তু শত ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিবছরের মতো এ বছরেও কালীঘাটে নিজের বাড়ির কালী পুজোতে কোনরকম খামতি রাখলেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবছরই কালী পূজার দিন নিজের বাড়ির পূজো নিয়ে ব্যস্ত থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সারাদিন উপোস করে নিজেই পূজোর যাবতীয় আয়োজন করে থাকেন। কালীপুজোর দিন যেন এক অন্যরূপে দেখা যায় বাংলার অগ্নিকন্যাকে।
আর প্রতিবছরের মতো এই বছরও নিজের হাতে মায়ের ভোগ রান্না করলেন তিনি। প্রতিবারই আমরা তাকে সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে সাধারণ মানুষ হয়ে যেতে দেখি। তিনি সবসময়ই যেনো বুঝিয়ে দেন যে তিনি এ রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান নন বরং তিনি এই রাজ্যের ঘরের মেয়ে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘরের মেয়ের ভূমিকা যেন আরও বেশি উজ্জ্বলতম হয়ে ওঠে, কালীপুজোর দিনে।
করোনা অতিমারি কাটিয়ে গোটা দেশের সাথে সাথে সুস্থ হচ্ছে বাংলাও। তাই করোনা অতিমারির পরে মুখ্যমন্ত্রীর নিজ বাড়িতে পুজো যেন আরো বেশি আলোকময় হয়ে উঠেছে। বস্তুত, কালীপুজোর দিন গোটা রাজ্যের জনগণের চোখ থাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরের কালীপুজোর দিকে।
কিন্তু পুজোর কারণে ব্যস্ত থাকলেও রাজ্যবাসীর জন্য তিনি সতত চিন্তিত থাকেন। তাই পুজোর মাঝেও সাধারণ মানুষকে সিত্রাং দুর্যোগের আগাম সর্তকতা দিলেন তিনি। সাধারণ জনগণকে ঝড় বৃষ্টির মধ্যে কোথাও না যাবার পরামর্শও দিলেন তিনি। সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি জানিয়ে দেন তার সরকার ৬৯০০০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। ফলে পুজোর ব্যস্ততার সঙ্গে সঙ্গেও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী যাবতীয় দিকের ওপর নজর রেখেছেন।
