শুভেন্দু বনাম সুকান্ত! বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব একেবারে চরমে উঠেছে


সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে চলে এলো। নতুন বিজেপি রাজ্য সভাপতির হওয়ার দৌড়ে কে থাকবে? তা নিয়ে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব দেখা গেল সুকান্ত মজুমদার গোষ্ঠী বনাম শুভেন্দু গোষ্ঠী। 

একুশে বিধানসভা ভোটের পরে দিলীপ ঘোষের বদলে রাজ্য সভাপতি করা হয়েছিল সুকান্ত মজুমদারকে। কিন্তু সুকান্ত মজুমদার আশাতীত ফলো করতে পারেননি, বরঞ্চ প্রতিটা ভোটে বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। যার ফলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বদলে সবুজ সংকেত দিয়েছে দিল্লির বিজেপির নেতারা।

সম্ভবত খুব তাড়াতাড়ি বিজেপি রাজ্য সভাপতি পদ থেকে অপসারিত হচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার। অন্যদিকে, বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্য সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। যা নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত হয়েছে।


কিছুটা ক্ষোভের সুরে সুকান্ত মজুমদার ঘনিষ্ঠ এক বিজেপি নেতা বলেছেন, “আমি সভাপতি হতে চাই না। এ কথা কেন বলছেন না শুভেন্দু?” সুকান্ত ঘনিষ্ঠ ঐ নেতা আক্ষেপের সুরে আরও বলেন, “দাদা(সুকান্ত মজুমদার) তো সব সমস্ত কর্মসূচিতেই বিরোধী দলনেতাকে সমর্থন করেন। তাহলে কেন তিনি বর্তমান সভাপতির সমর্থনে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিচ্ছেন না?”

এক কথায় বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। ঘটনা সূত্রপাত হয়েছে বেশ কয়েকদিন আগে, সম্প্রতির পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি দাপুটে নেতা সেন্টু সেনাপতিকে বহিষ্কার করে রাজ্য বিজেপি। কার্যত সুকান্তর নির্দেশে ওই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলাই বাহুল্য। 

বিজেপির পূর্ব মেদিনীপুরের বহিষ্কৃত নেতার বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছিল। শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ওই নেতাকে অপসারিত করার ফলে, দিল্লিতে উচ্চ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি লেখেন স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী। যার ফলে দলের অন্তরে রাজ্য নেতৃত্ব দন্দ্ব ক্রমশই বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এর আগেও বহুবার সুকান্ত শুভেন্দু দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। তার পাশাপাশি এই দ্বন্দকে উস্কে দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, শুভেন্দু রাজ্য সভাপতি হলে তিনি তাকে স্বাগত জানাবেন। শুভেন্দুর চিঠি লেখা কে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম