Primary TET Scam : সিবিআই গ্রেপ্তার করতে পারবেনা, অপসারণেও স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি মানিক ভট্টাচার্যের
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। আপাতত সিবিআই তাকে গ্রেফতার করতে পারবে না কিন্তু তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে সিবিআই। কিছুদিন আগে কলকাতা হাইকোর্ট মানিক ভট্টাচার্যকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির পদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদের দিল সুপ্রিম কোর্ট।
একাধিকবার সিবিআই মানিক ভট্টাচার্যকে তলব করেছিল নিজাম প্যালেসে। তবে নিজাম প্যালেসে কখনো কখনো গেলেও অধিকাংশবারই মানিক ভট্টাচার্য সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। পুজোর আগেই মানিক সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিবিআই এর বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ চেয়ে। সুপ্রিম কোর্ট ৩০ শে সেপ্টেম্বর মামলার রায়দান স্থগিত রাখে।
আজ সেই সিবিআই মামলার রায়দান হয়। আদালত বলে, সিবিআই তদন্ত চালিয়ে গেলেও মানিকের বিরুদ্ধে কোনরকম কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না। তদন্ত কোন পথে চলছে, তদন্তের অগ্রগতি কতদূর এবং কোন পথে তদন্ত করতে চাইছে সেই সংক্রান্ত সমস্ত রিপোর্ট সিবিআইকে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চার সপ্তাহ পর।
তবে মানিক ভট্টাচার্য কে ইডির গ্রেফতারি নিয়ে কোন রকম নির্দেশ দেয়নি সুপ্রিমকোর্ট। ফলশ্রুতিতে আপাতত হেফাজতে থাকতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য কে। প্রসঙ্গত রাতভর সিজিও কমপ্লেক্সে মানিক কে রাখার পরে গত ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার মানিককে গ্রেফতার করে ইডি। ইডির বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় মানিক। তবে ইডি মামলা নিয়ে শুনানি হলেও রায়দান স্থগিত আছে।
তাছাড়া কলকাতা হাইকোর্ট প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পর থেকে মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণ এর নির্দেশ দেওয়া নিয়েও সমালোচনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছে কোন যুক্তিতে মানিক ভট্টাচার্য কে সভাপতির পথ থেকে অপসারণ করা হয়েছে? বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছেন, মানিক ভট্টাচার্যকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের সভাপতি পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত কলকাতা হাইকোর্টের সঠিক ছিল না।

