সকালের অল্প বিস্তর কুয়াশা ঢেকে রেখেছিলো পথ ঘাট। আজই এবারের শীতলতম দিন। এক ধাক্কায় তাপমাত্রা অনেকটা কমেছে পশ্চিমের জেলাগুলিতেও।
ছুটির দিন সকাল সকাল শীতের আমেজ জমে ওঠাতে খুশি শীতবিলাসীরা। শীতের ছোয়া পড়তেই নেমে এসেছে তুলে রাখা লেপ কম্বল। এবার অপেক্ষা কবে জাকিয়ে পড়বে শীত।
শহর থেকে শহরতলি শীতের ছোয়া আর কুয়াশের পরতে সকালবেলা ঢেকেছিলো সর্বত্র। আবহাওয়া দপ্তর থেকে আসা তথ্য অনুযায়ী ১৮.৮° আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এটা শনিবারের তুলনায় প্রায় ২° কম।
এদিন জেলার দিকে তাপমাত্রায় নেমেছে আরও কয়েক ধাপ, পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিলো ১৪.৪° , ঝাড়গ্রামে ১৬° আশেপাশে। তাপমাত্রার পতন দেখা গেছে আসানসোল, বর্ধমান এবং বীরভূমেও।
আজকের তাপ পতন সত্যি প্রমাণ করলো আবহাওয়া দফতরের কথা। আগেও হাওয়া দফতর সুত্রে বলা হয়েছিলো ৪-৫ দিন ২০ এর নীচে থাকবে তাপমান।
তবে আবহাওয়াবিদদের চিন্তা একটু একটু করে জমে ওঠা শীতের আমেজ মাটি করে দিতে ইতিমধ্যেই ফের বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপের সম্ভাবনা। ১৬ নভেম্বর নিম্নচাপ হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরের সংযোগস্থলে।

