সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ নন্দীগ্রামে শহীদ বেদীর সামনে ধরনারত স্থানীয়দের।
এইবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখালো নন্দীগ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা। যার ফলে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা কেন্দ্রীয় বাহিনীদের ঘেরাটোপে নন্দীগ্রামে অস্ত্র নিয়ে আসছেন। যা নিয়ে তোলপাড় পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। আর এইবার সেই নন্দীগ্রামেই শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে গদ্দার স্লোগান উঠলো। স্লোগান আর কেউ নয় নন্দীগ্রামে স্থানীয়রাই তুলেছে।
“শুভেন্দু অধিকারী কে নন্দীগ্রামে ঢুকতে দেবো না”- শহীদ বেদীর সামনে যারা ধননারত ছিল তারা এই রকমই হুঁশিয়ারি দিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা কে। সেখানে পরে উপস্থিত হন কুনাল ঘোষও। ধরনায় বসা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ কথা বলার পর কুনাল ঘোষ ও সেখানে ধরনা দেন। অবশ্য পরে পুলিশি তৎপরতায় ধরনা থেকে উঠে যান স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের একটাই দাবি, শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের মানুষদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে তিনি প্রতারণা করেছেন এমনই অভিযোগ তুলছে সেখানকার স্থানীয়রা। তাই তাকে কোনভাবেই শহীদ বেদীতে মাল্যদান করতে দেওয়া যাবে না। স্থানীয়রা এমন দাবি তুললেও পরে কুনাল ঘোষ তাদেরকে বোঝান। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বলেন,“আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তাই মাল্যদান সবাই করতেই পারেন। কিন্তু বিজেপিকে মাল্যদান করতে হবে তৃণমূলের অর্পণ করা মালার ওপরই। তৃণমূলের মালা সরিয়ে মাল্যদান করা যাবে না। যদি বিজেপি তা করে তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে”।
রাজ্য রাজনীতিতে বার বারই শিরোনামে উঠে এসেছে হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল বিজেপির লড়াই। কিন্তু সে লড়াইয়ে বারবার পিছিয়ে পড়ছে বিজেপি। বিজেপির বিভিন্ন সাংগঠনিক নেতা একে একে দল ছেড়েছে সেখানে। বেশিরভাগ নেতাই যোগ দিয়েছে ঘাসফুল শিবিরে। আর এখন, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে সেখানকার স্থানীয়দের বিক্ষোভ আবারও বুঝিয়ে দিল তারা শুভেন্দু অধিকারী কে কোনভাবে মেনে নিতে পারছেন না।

