স্বাস্থ্য সাথী বা আধার কার্ড না থাকলেও হবে লক্ষ্মীর ভান্ডার, জানিয়ে দিল নবান্ন

সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাস্থ্য সাথী বা আধার কার্ড না থাকলেও হবে লক্ষ্মীর ভান্ডার, জানিয়ে দিল নবান্ন। 

আর ফিরে যেতে হবে না বাংলার মহিলাদের। এইবার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড কিংবা আধার কার্ড না থাকলেও লক্ষ্মীর ভান্ডারের প্রকল্পে তারা অংশগ্রহণ করতে পারবে। শনিবার রাজ্যের সমস্ত জেলা শাসকদের উদ্দেশ্যে এমনই নির্দেশ দিল রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী যে সমস্ত মহিলাদের আধার কার্ড কিংবা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই তারা লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে না। কিন্তু বাংলার সাধারণ মহিলাদের কথা ভেবে সেই নির্দেশিকা বাতিল করে দিল রাজ্য সরকার।

প্রসঙ্গত, গত ১লা নভেম্বর থেকে দুয়ারে সরকার প্রকল্প চালু হয়েছে। দুয়ারে সরকার প্রকল্প ৩০ শে নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। কিন্তু বহু সংখ্যক মহিলা ইচ্ছা থাকলেও লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করতে পারছিল না। ফিরে আসতে হচ্ছিল ক্যাম্প থেকে। ফিরে আসার কারণ তাদের কাছে নেই আধার কার্ড কিংবা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড। এই নিয়ে নবান্নের কাছে অভিযোগ ও জমা পড়ে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল।

রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দিবেদী শনিবার সমস্ত জেলাশাসকদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে দেন, কোন মহিলার আধার কার্ড কিংবা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড না থাকলেও তারা যেন দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে ফিরে না আসে। আধার নম্বর না থাকা কোনো সরকারি স্কিমের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার কারণ হতে পারে না। তাই প্রত্যেকটি জেলার জেলাশাসককে নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোন মহিলা দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন জানানো জন্য হয়রানির শিকার না হয়।

নবান্ন সূত্রে খবর, এই ধরনের অভিযোগ যাতে পুনরায় না আসে তা নিশ্চিত করতে হবে প্রত্যেকটা জেলাশাসক কে। এখনো বিভিন্ন মহিলারা দুয়ারে সরকারে আবেদন করতে পারবে। যে সমস্ত মহিলারা এখনো পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত নয় তারা এখন অনায়াসে নিজের নাম নাতিভুক্ত করতে পারবে। এইবারের দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ২৭ টি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা নিয়ে যথেষ্ট উচ্ছ্বাসিত বাংলার জনগণ। 

উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর একের পর এক জনমুখী প্রকল্প জনগণের সামনে এনে দিয়েছেন। প্রত্যেকটা প্রকল্পই দেশ থেকে বিদেশে সকল জায়গাতেই স্বীকৃতি লাভ করেছে। বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে দুয়ারে সরকার প্রকল্প যথেষ্ট আলোড়নের সৃষ্টি করেছিল জনগণের মধ্যে। আর সেই প্রকল্পের মাধ্যমেই জনগণের দুয়ারে পৌঁছে গেছে সরকার। সুযোগ পেয়েছে লক্ষাধিক মানুষ। আর সেই সুযোগের তালিকায় লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প এক অন্যতম প্রকল্প। বর্তমানে বাংলার কয়েক কোটি মহিলা এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত।



 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম