অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বলেই কি তলব? হেমন্তকে ইডি তলব করায় প্রশ্ন উঠছে!

সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বলেই কি তলব? হেমন্তকে ইডি তলব করায় প্রশ্ন উঠছে! 

বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করে এসেছে ইডি এবং সি বি আই কেবলমাত্র বিজেপি বিরোধী রাজনীতিবিদদের জন্য। আর এইবার সেই অভিযোগে নতুন মাত্রা যোগ হলো। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ইডি তলব করায় প্রশ্ন উঠছে বিশেষজ্ঞ মহলে। সূত্রের খবর,আগামী বৃহস্পতিবার ইডির রাচির অফিসে  হাজিরা দিতে হবে ঝড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী কে। যা নিয়ে যথেষ্ট চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে পড়শী রাজ্য ঝাড়খন্ড - এ। 

ঝাড়খণ্ডের একটি খনি  কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। আর এই তদন্তের কারণেই আগামী বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরণকে ডাক করিয়েছে ইডি। 

কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক অবিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির হেভি ওয়েট নেতাদের ওপর ইডি নজরদারি চালিয়েছে। বারবার অবিজেপি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টিও করেছে ইডি এবং সিবিআই, এমনই অভিযোগ করে এসেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। উল্লেখ্য, এই ধরনের ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা প্রভৃতি রাজ্যগুলিতে বারবার দেখা গেছে। একই অভিযোগে অভিযুক্ত থাকা সত্ত্বেও বিজেপির নেতাদের কেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় না,এই নিয়েও সুর চড়িয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।

প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বর মাসেই ঝাড়খন্ডে রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত। ঝাড়খন্ডে ক্ষমতাসীন জোটের নেতা হেমন্ত  গত সেপ্টেম্বর মাসে তার ৩১ জন বিধায়ক কে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সূত্রে খবর, এই বিধায়কদের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে বিজেপি সরকার ভাঙতে চেয়েছিল। কিন্তু হেমন্ত সোরনের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা তার সরকারকে বাঁচাতে সফল হয়। আর ঠিক সেই সময়ই হেমন্তর বিরুদ্ধে দুটি আলাদা আলাদা আর্থিক কেলেঙ্কারির জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল সেখানকার হাইকোর্টে। কোর্টের নির্দেশে সেই তদন্তের ভার যায় কেন্দ্রীয় সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের হাতে। আর সেই তদন্তে নেমেই আগামী বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী কে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। 

আবার, আগস্ট মাসে ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়ক বিপুল পরিমাণ টাকাসহ পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছিল। যা নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়নের সৃষ্টি হয়েছিল এ রাজ্য ও।সেই বিপুল পরিমাণ টাকা বিধায়কদের কেনাবেচা করার জন্যই বিজেপি ব্যবহার করত বলে অভিযোগ করেছিল, এ রাজ্যের শাসক দল। যদিও সেই বিপুল পরিমাণ টাকা সমেত হাতেনাতে ধরা পড়ে তারা। বর্তমানে সেই তদন্তের ভার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সিআইডির হাতে রয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম