২১ বিজেপি নেতার বিরূদ্ধে এফ আই আর,শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি করলো ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি

সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: ২১ বিজেপি নেতার বিরূদ্ধে এফ আই আর,শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি করলো ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি।

নন্দীগ্রামে শহীদ বেদীতে আগুন লাগানো কে কেন্দ্র করে আবারও রাজ্য রাজনীতির পারদ ঊর্ধ্বমুখী। প্রসঙ্গত, যেইদিন আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা সেই দিনে এর তীব্র বিরোধিতা করে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি এবং তৃণমূল কংগ্রেস। আর এর জন্যই ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি ২১ জন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এফ আই আর দায়ের করেছে। একই সঙ্গে তারা দাবি তুলেছে শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেপ্তারির জন্য। 

ইতিমধ্যে নন্দীগ্রামের শহীদ বেদীতে আগুন লাগানোর ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তদের নাম কার্তিক গরাক, গৌরাঙ্গ মন্ডল এবং সঞ্জীব মন্ডল। এখনো বহু অভিযুক্ত পলাতক। দ্রুত দোষীরা গ্রেপ্তার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বেশ কয়েকদিন অভিযুক্ত গ্রেফতার হলেও ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেপ্তারির দাবি জানিয়েছে। ভূমি উচ্ছেদ কমিটি সরাসরি জানিয়েছে, এই ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারীর মদত রয়ছে। 

নন্দীগ্রাম ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। নন্দীগ্রামের ব্লক তৃণমূল সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, “রাজ্য সরকার ও পুলিশের উপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। অভিযুক্তরা দ্রুত গ্রেপ্তার হবে বলে আমার বিশ্বাস। কারণ এখানে গণতন্ত্র রয়েছে। আইনের শাসন চলে রাজ্যে”।

উল্লেখ্য, গত শনিবার তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ এই নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি সরাসরি জানান, “নন্দীগ্রামে বিজেপি যথেষ্ট অসস্তিতে রয়েছে। এই কারণেই বারবার শান্ত নন্দীগ্রামকে অশান্ত করতে চাইছে বিজেপি। এবং এর জন্য বিরোধী দলনেতা সরাসরি দায়ী রয়েছে”। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি জানিয়েছে দুষ্কৃতীরা যখন আগুন লাগিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছিল তখন দুষ্কৃতীদের মধ্যে একজন হুংকার দিয়ে বলে,“উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশে মঞ্চ পুড়িয়ে দিয়েছি, দাদাকে বলে দিও”। এফ আই আর এ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি জানিয়েছে, এখানে দাদা বলতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকেই বুঝিয়েছে দুষ্কৃতীরা। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে  তারা দিনভর তল্লাশি করছে। বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে আগামী দিনে আরও অনেক জন গ্রেপ্তার হবে।

প্রসঙ্গত নন্দীগ্রামে একের পর এক বিজেপি নেতা বিজেপি ছেড়ে বেরিয়ে আসায় যথেষ্ট অস্বস্তিত পড়তে হচ্ছে গেরুয়া শিবির কে। আর তাই জন্যই কি বারবার নন্দীগ্রামে গন্ডগোল করতে চাইছে বিজেপি? এই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম