শুভেন্দুর মানসিক বিকৃতি হয়েছে, দাবি কুণালের! মিথ্যাচার করে ধরা পড়ল শুভেন্দু!


সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : কলকাতা ফুটবলে দারুন সাফল্য পেয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি। প্রথম ডিভিশনের চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে জয়ের ফলে প্রিমিয়ার ডিভিশনে উঠেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব। এই সাফল্য উদযাপনে আলিপুরের পাঁচতারা হোটেলে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে বর্তমানে রাজনীতির তুঙ্গে উঠেছে।

প্রসঙ্গত রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, এই ফুটবল ক্লাবের অনুষ্ঠানকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ছেলের জন্মদিনের পার্টি’ দাবি করে ‘বিভ্রান্তিকর’ টুইট করেছেন। শুভেন্দু দাবি করেন, ওই পাঁচ তারা হোটেলে নিজের ছেলের জন্মদিনের পার্টি দিয়েছেন অভিষেক। তাই কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে হোটেলটিকে।

তবে সেই দাবি যে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, তা অভিষেকের ফেসবুক পোস্টে চোখ রাখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়। অনুষ্ঠান শেষে ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার পেলের উদ্ধৃতি উল্লেখ করে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন অভিষেক। তার পাশাপাশি অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকটি ছবিও শেয়ার করেছেন। ওই পাঁচতারা হোটেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেননি, সেই ছবিগুলি প্রমাণ করে।

বিভ্রান্তিকর ট্যুইটের জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ। তিনি বলেছেন, “আজ(রবিবার) রাতে কোথাও কোনও ডিনার নেই। দুপুরে তাজে অভিষেক যে ক্লাবের মুখ্য উপদেষ্টা, তার খেলোয়াড় কোচের সঙ্গে অভিষেক দেখা করেছেন। সেটাকে বিরোধী দলনেতা লিখছেন ছেলের জন্মদিনের অনুষ্ঠান। তাতে পাগল কিছু লোক বিশ্বাসও করেছেন। এ ধরনের আচরণের চূড়ান্ত নিন্দা করি। শুভেন্দু মানসিক বিকৃতি ঘটেছে।”

কুণাল আরও বলেন, “অভিষেক ফবিয়ায় ভুগছে, না হলে অভিষেকে তিন বছরে বাচ্চা ছেলেকে কেন্দ্র করে কেউ এসব করবে? মিথ্যাচারের একটা সীমা থাকবে তো? প্রতিপক্ষ নেতাকে পাল্লা দিতে পারছিনা, তার শিশু পুত্রকে জড়িয়ে এসব? ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমরা অনুভব করছি ও দিশার অবস্থা। উদ্বেগ কাজ করছে। চিকিৎসা দরকার। যেখানে সনাতনী কথা বলেন এই শুভেন্দু, ওর তো আয়ুষ্মান ভব লেখা উচিত। পাপী নরকের কীট শুভেন্দু। আজ চোর, তোলাবাজ বলছি না। উনি এবি ফোবিয়ায় ভুগছেন। আমরা তীব্র নিন্দা করছি। সমাজ এই ধরনের পাগল হাজির হলে অসুবিধা। রাজনীতি করতে হলে সুস্থতা দরকার।”

যদিও শুভেন্দুর তরফে পাল্টা কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে শুভেন্দুর এই ‘মিথ্যাচারের’ জন্য অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম