সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : গুজরাটের সেতু দূর্ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্ক হলো নবান্ন। রাজ্যের দুটি সেতু পুনঃনির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও নবান্ন আদেশনামা জারি করেছে যে যে ব্রিজ নিয়ে কোনো অভিযোগ আছে সেই প্রতিটা সেতুর সাস্থ্য পরীক্ষা করে যেন বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করা হয়।
নভেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে সরকারের তরফে। পূর্ত দফতর ছাড়াও অন্যন্য কিছু দফতরের অধিনেও আছে কিছু সেতু, সেগুলোর ক্ষেত্রেও একই নির্দেশিকা বহাল হবে।
রাজ্যের সেতুগুলোর পরিস্থিতি জানবার জন্য এবং আলোচনা করবার জন্য মঙ্গলবার নবান্নে বৈঠক ডেকেছিল পূর্ত দফতর। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলো পূর্ত মন্ত্রী পুলক রায়, পূর্ত দফতরের প্রিন্সিপাল সচিব, পূর্ত দফতরের প্রিন্সিপাল সচিব, এক্সিকিউটিভ ইন্জিনিয়ার। এছাড়াও ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলো জেলার ইঞ্জিনিয়ার এবং বিভাগীয় প্রধানরা।
এদিন পূর্ত দফতরের অধিনে থাকা দুই হাজার একশো নয়টি সেতু নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও স্পষ্ট ভাষায় পূর্ত দফতর জানায় যেই সেতুগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে সেই সেতুগুলোর তদন্তের রিপোর্ট পেশ করতে হবে নভেম্বরের মধ্যেই।
এদিনের বৈঠকের পর জানা যায় দুটি সেতু পুনঃনির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। প্রথমটি মেদিনীপুরের কংসাবতী নদীর উপর বীরেন্দ্র শাসমল সেতু, ইতিমধ্যেই যার টেন্ডার পাশ হয়ে গেছে। আর দ্বিতীয়টি উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন সেবক সেতু। আগামী ১৮ নভেম্বর ডাকা হবে এর টেন্ডার।
শুধু পূর্ত দফতর না সেচ দফতর ও বন দফতরের অধীনেও আছে বহু ব্রিজ। অধিকাংশ ঝুলন্ত ব্রিজ আছে স্থানীয় প্রশাসনের অধিনে। প্রতিটি সংকটজনক সেতুর পুঙ্খানুপুঙ্খ সাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট চেয়েছে নবান্ন।
নবান্নের এই প্রসংশনীয় সিদ্ধান্তে অনেকটাই সুরক্ষিত এবং অসুবিধা মুক্ত হবে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এমনটাই মত বিভিন্ন মহলের।
