মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডিলিট সম্মান প্রদান করতে চলেছে প্রখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট জেভিয়ার্স

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | সেন্ট জেভিয়ার্স | ডিলিট: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুকুটে আরও নতুন একটি পালক যুক্ত হল। দ্বিতীয়বার ডিলিট সম্মান পেতে চলেছেন তিনি। 

সংবাদ বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করলেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দ্বিতীয়বার ডিলিট সম্মান পেতে চলেছেন। সম্মান আর কেউ নয় রাজ্যের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট জেভিয়ার্স দিতে চলেছে। এর আগে তিনি এই সম্মান কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই ধরনের সম্মান রাজ্যবাসীকে পুনরায় গর্বিত করল। 

প্রসঙ্গত,মাত্র চার বছর আগে ২০১৮ সালে রাজ্যের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ডিলিট সম্মানে সম্মানিত করেছিল। সেই সময় এই সম্মান তিনি গ্রহণ করেছিলেন তৎকালীন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠির কাছ থেকে।

আর চার বছর বাদে পুনরায় তিনি এই সম্মানে সম্মানিত হতে চলেছেন রাজ্যের আরেকটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা। সূত্রের খবর, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে এই সম্মান গ্রহণ করার জন্য আবেদন জানিয়েছে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ। সেই আবেদনে সারাও দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। 

উল্লেখ্য, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই সম্মানে ভূষিত করেছিল তখন বিরোধীরা সেই নিয়ে রাজনীতি  করেছিল। কিন্তু রাজনীতির লড়াই চললেও, মুখ্যমন্ত্রীকে এই ধরনের সম্মান দিতে পেরে যথেষ্ট খুশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই পারেন। বিরোধীরা যতই এ নিয়ে রাজনীতি করুক একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি  বারবার রাজ্যবাসীকে গর্বিত করেছেন। প্রকাশ্য জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী একবার বলেছিলেন, “আমার বই বিক্রি হয় বলে বিরোধীরা বলে বইগুলো কেন বিক্রি হচ্ছে? বইগুলো বিক্রি হয় কারণ মানুষ এগুলো পড়ে। অনেক তথ্য পায় তাই তাদের কাছে বইয়ের গ্রহণ যোগ্যতা অনেক বেশি। ১০০০ কবিতার একটা বই লিখুন না কেমন পারেন। এত ব্যস্ততার মাঝেও আমি এইগুলো লিখি। আমার পুরস্কারের প্রতি কোন লোভ নেই। কত পুরস্কার আমি ফিরিয়ে দিয়েছি।”

প্রসঙ্গত, এ বছরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা অ্যাকাডেমী পুরস্কার পেয়েছিলেন। যা নিয়ে যথেষ্ট জল ঘোলা করেছিল বিরোধীরা। কিন্তু রাজ্যের একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি এই সম্মান গুলো গ্রহণ করে রাজ্যবাসীকেই গর্বিত করছেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো কেবলমাত্র বিরোধিতা থাকার জন্যই কি তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভালো চোখে দেখতে পারেন না? প্রশ্ন সব সময় থেকেই চায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম